ঢাকার দোহার থানা পুলিশ গভীর রাতেও সতর্ক ও কর্তব্যপরায়ণ

229

স্টাফ রিপোটার : ১৭ মে রাত আনুমানিক তিনটার ছুইছুই। খবর ৩২ এর সার্ভারের সমস্যার কারনে কাজ করতে হয় রাত প্রায় দুইটা পর্যন্ত। কজে শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম থানার মোড় হয়ে। হটাৎ চোখ যায় কিছু মানুষ জড়ো হয়ে এদিক সেদিক করছে। কাছে গিয়ে দেখা যায়। দোহার থানার একদল পুলিশ বাহিনী। জানা যায়, দোহার থানা অফিসার ইনচার্য সাজ্জাদ হোসেনের নির্দেশে টহলরত অবস্থায় কাজ করছে দোহার থানার এসআই নাসির উদ্দিন সহ কয়েক জন পুলিশ ফোর্স বাহিনী। 

জানতে চাইলাম এতো রাতে, উত্তরে জানান, পুলিশের চাকরি এরকমই। সে সময় হয়তো দোহারবাসী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ছেহেরী খাবে বলে হয়তো, মসজিদের কোন কোন ইমাম , মাইকে ঘোষনা দিবে বলে প্রস্তত্তি নিচ্ছে। ততক্ষণে মাইকের কোন শব্দ কানে ধরা পড়েনি। কথা বলতে বলতে দেখি হাতে বিস্কুট, রুটি ছিন্নমূল কয়েকটি কুকুরকে খাওয়াচ্ছেন এসআই নাসির উদ্দিন।

অপর দিকে চোখ যায়, কয়েকজন পুলিশ ফোর্স বাহিনী থানার মোড়ে কয়েকটি দোকানের ভীতরে শব্দ শুনে তারা তালা চেক করছেন ভীতরে কেউ কোন কিছু চোরি করছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য । কথা গুলো শুনে মনে হল পুলিশ আসলেই জনগনের বন্ধু, মানবিক ও মানবসেবাই যারা দিন ও গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে।

এস আই নাসির উদ্দিন জানান, আল্লাহ দোহারবাসীর সেবা ও জানমালের নিরাপত্তার দায়ীত্ব ন্যস্ত করেছেন দোহার থানা পুলিশ বাহিনীর হাতে। জনগণ যাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারে সে কথা মাথায় রেখে দিনরাত কাজ করতে হয় পুলিশ বাহিনীকে। তিনি আরো বলেন আমরা যদি পাহারা না দেই তাহলে সাধারণ জনগন ঠিকমত ঘুমাতে পারবে না । পরে চোর এসে সব চুরি করে নিয়ে যাবে। ডাকাত এসে ডাকাতি করবে, সাধারণ জনগন বা মানুষের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। তাই হারামকে আরাম এ পরিণত করার লক্ষ্যে আমাদের সংগ্রাম। আর তাছাড়া মানবসেবা করার প্রচুর পরিমানে সুযোগ থাকে পুলিশ বাহিনীর।

সে সব কথা মাথায় রেখেই এখন অবদি রাস্তায়, রাস্তায় টহল চালিয়ে যাচ্ছি দোহারবাসী যেন নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে। পরিশেষে আমরা পুলিশকে অনেকেই খারাপ বলি, কিন্তু কাছ থেকে যদি পুলিশের কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে আমার বিশ্বাস পুলিশকে আর কেউ কখনো গালি দিবে না বরং সম্মান করবে। জয় হোক পুলিশের। পুলিশ এবং সাংবাদিক যে রকম মানুষের জানমালের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাই ডাক্তার এবং ব্যাংকারদের মতন পুলিশ এবং সাংবাদিকদের যেন প্রণোদনা দেওয়া হয়। দোহার থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্য মো. সাজ্জাদ হোসেনের জন্যই দোহারবাসী এমন একটি পুলিশ বাহিনী পেয়েছে ।