ঢাকার নবাবগঞ্জে যুবলীগ নেতা ও ওয়ার্ড মেম্বারের মারামারি

32

খবর৩২: নভেল করোনাভাইরাস ( কোভিড-১৯) দূর্যোগকালীন মর্হুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে, ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে, গত ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০ টায় করোনা দূর্যোগকালীন ওয়ার্ড মানবিক সহায়তা কমিটি গঠন নিয়ে সভা চলাকালিন সময়ে নয়নশ্রী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক খোকন মোল্লা ও তার অনুসারিরা মিলে ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রহুল ইসলাম ভূইয়াকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন ও তাকে মারধর সহ শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মোল্লা ও খোকন মোল্লাকে ধমক দিয়ে বাধা দিলেও তার কথা কোন কর্ণপাত করেনি যুবলীগ সাধারন সম্পাদক খোকন মোল্লা।

এবিষয় যুবলীগ সাধারন সম্পাদক খোকন মোল্লা ও তার অনুসারিগণের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ করা হয়েছে বলেন জানান ঘটনায় ভূক্তভোগী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রহুল ইসলাম ভূইয়া।

ঘটনার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নবাবগঞ্জর নয়নশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিপন মোল্লা সকল ইউপি সদস্যদের নিয়ে গত ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মিটিং করছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী, দূর্যোগকালীন ওয়ার্ড মানবিক সহায়তা কমিটি গঠন করার জন্য নতুন ফরমেট মেম্বারদের হাতে তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মোল্লা।

ফরমেটে ইউপি সসদ্য প্রধান সমন্বয়ক ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা-১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-২, মসজিদ. মন্দির. গির্জা. প্যাগোডার কর্মরত ( ইমাম,ফাদার,ধর্ম,গুরু)-১, সাংবাদিক-১ জন, চেষারম্যান কর্তৃক মনোনিত-১ জন ও গণ্যমাণ্য ব্যক্তি-২ নিয়ে ওয়ার্ড কমিটি হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

৮ নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে খোকন মোল্লা, স্থানীয় মাসুদ মোল্লা জোর পূর্বক কমিটিতে নিজেদের লোক রাখতে ও নিজেরা থাকার জন্য ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বারকে চাপ প্রয়োগ করেন বলে অফিযোগ। তখন মেম্বার বলেন. আমি সরকারি নিয়মের বাহিরে কিছু করতে পারবো না।

এসময় খোকন বলেন “তুই অনেক কিছু বুঝিস না , তোকে আজকে বুঝিয়ে দিব। একথা বলেই মেম্বারের উপর হামলা করে ও কিল, ঘুষি দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। এবং দুই তিনবার উঠে দাড়ালেও আবার কিল-ঘুষি ,লাথি দিয়ে মারধর করেন।

তৎক্ষণিক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম মোল্লা দৌড়ে এসে মারধর ফিরিয়ে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এবিষয়ে ৮ নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য রহুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, উপজেলা থেকে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী দুর্যোগকালীন সময়ে মানবিক কমিটি গঠনে করতে গেলে তারা বাধা দেয়।

এমনকি তাদের কথামত তালিকা না করায় যুবলীগ নেতা খোকন মোল্লা আমাকে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ইউপি সদস্যদের সামনেই মারধর করে। এবিষয়ে যুবলীগ নেতা খোকন মোল্লার মুঠোফোনে বলেন, আমি কোন মারধর করিনি। একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে।
এবিষেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দীন মনজু বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।