দোহারের বিলাশপুরে ৬০ বছরের বৃদ্ধর ১২ বছরের শিশু ধর্ষণঃমামলা; এলাকাছাড়া

1038

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার দোহারের বিলাশপুরে ৬০ থেকে ৫০ বছরের চার বৃদ্ধদের দ্বারা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেছে বলে দোহার থানায় মামলা হয়েছে । এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে ধর্ষণের বিষয়টি। গত শুক্রবার এলাকার গন্যমান্ন ব্যাক্তিদের শালিশ বৈঠক বসার পর বিলাশপুরে হইচই পরে যায় ঘটনাটি। টপ অব দ্যা নিউজে পরিনত হয়েছে ধর্ষণের ব্যাপারটি। ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবা সুমন দোহার থানায় ধর্ষণ সহ তিনটি পৃথক মামলা করেছে।

শিশু ধর্ষণ হওয়ার পর মামলা হলে সহযোগি সোমা নামে এক নাড়িকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ। ধর্ষণের শ্বিকার হওয়া শিশুর বারি বরিশালে বলে জানা গেছে।

ধর্ষণের শ্বিকার হওয়া শিশু জানান, প্রথমে বিলাশপুরের লতিফ চোকদারের ছেলে সেলিম চোকদার ধর্ষণ করে। কয়েকদিন পরে একই এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে কিয়াম উদ্দিন, পাঞ্জ  বেপারীর ছেলে তারা মিয়া ও ইদ্রিস নামে একজন ধর্ষণ করে এতে সহযোগিতা করে বিলাশপুরের সোহেলের বউ সোমা। ঐ শিশু আরও জানান, তাকে প্রতিনিয়ত ভয় দেখাতো মেরে ফেলার। সেই ভয়ে কারো কাছে কিছু বলতেও সাহস করতো না ধর্ষণের শ্বিকার ঐ শিশু।

শিশুর বাবা সুমন জানান, আমার মেয়ে ধর্ষণের সঠিক বিচার পাবার আশায় দোহার থানায় ৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছি। মামলার পর সহযোগি সোমাকে আটক করা হলেও সে পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।

৭ জুন সোমবার বিলাশপুরের কুলছরি এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা যায়, ইদ্রিস ও কিয়ামউদ্দিনের বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীকে পাওয়া যায়। কিমউদ্দিনের স্ত্রী জানান ৬০ বছরের বৃদ্ধ কি ভাবে ধর্ষণ করলো আপনারাই বলেন, ইদ্রিস ও ৬০ বছর বলে জানা যায়। কিন্তু সেলিম চোকদার ও তারা মিয়ার বাড়িতে কোন লোক পাওয়া যায়নী। মামলার পর ঘড় তালা দিয়ে পালিয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। তবে লতিফ চোকদারের ছেলে সেলিম চোকদার ও পাঞ্জ  বেপারীর ছেলে তারা মিয়ার বিরুদ্ধে অতিতে ও এরকম অপকর্ম করেছে বলে জানা গেছে । সেলিম চোকদার ও তারা মিয়ার ব্যাপারে এলাকাবাসী আরও জানান, সেলিম তারার অনেক রেকর্ড রয়েছে ধর্ষণ করার। ইতি পূর্বে কয়েকবার বিচার শালিশ ও হয় সেলিম তারার। বিচারে শত শত মানুষের সামনে থুথু খায়ানো হয়। তবে ইদ্রিস ও কিয়ামউদ্দিনের ব্যাপারে এরকম কোন অভিযোগ করেনী এলাকবাসী। ইদ্রিস আলম বাজারের অসহায় মাছ বিক্রেতা ও কিয়ামউদ্দিন মুদি দোকানী। 

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর বাবা সুমন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নিযার্তন দমন আইনে পৃথক তিনটি মামলা করেছে। এঘটনায় ধর্ষণের কাজে সহযোগী সুমা নামের এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের ধরতে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান।