দোহারের সাক্কু নারায়ণগঞ্জে করোনায় অাক্রান্ত

644

মোস্তফা কদ্দুস : ঢাকার দোহারের মুকসুদপুর ইউনিয়নের রুইথা মইতপাড়া গ্রামের হায়দার অালীর ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু (৩০) নারায়ণগঞ্জ করোনায় অাক্রান্ত হয়েছেন।

দোহার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অামরা গোপন সংবাদে জানতে পারি শাইনপুকুর দিয়ে করোনায় অাক্রান্ত রোগী সাক্কু দোহারে প্রবেশ করতে চেয়েছিল। সাক্কু নারায়ণগঞ্জ একটি ম্যাসে বসবাস করতো সেখানে একটি ছেলে করোনায় অাক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করলে সাক্কু ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে দোহারে প্রবেশ করার চেষ্টা করে।

এমন তথ্যের ভীত্তিতে মঙ্গলবার রাত ৮ টায় অামাদের ফুলতলা পুলিশ ফারির তদন্ত অফিসারকে একটি চেকপোস্টে বসাতে বলি। পরে অানুৃমানিক রাত সোয়া থেকে সারে অাটটার দিকে শ্রীনগরের একটি সিএনজি করে দোহারে অাসতে ছিল সাক্কু। শাইনপুকুর তিন দোকান এলাকায় অামাদের অফিসার ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরে সাথে সাথে ঐ সিএনজি করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিতে বলে পাঠিয়ে দেয়। পরে সাক্কু জানান, তার কাছে কোন টাকা নেই। অামাদের পুলিশের ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন নিজের পকেট থেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকা মেডিডিলে চিকিৎসা নিতে পাঠিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে ফুলতলা পুলিশ ফারির ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অামাদের ওসি সাজ্জাদ হোসেন স্যারের নির্দেশক্রমে ফুলতলা তিন দোকান এলাকায় অামরা একটি চেকপোস্ট বসাই, সেখানে অামরা সাক্কুকে সনাক্ত করতে সক্ষম হই। দোহারে প্রবেশ করার অাগেই অামরা তাকে চিকিৎসা নিতে ঢাকা পাঠিয়ে দেই।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য প: প: ডাক্তার জসিম উদ্দিন জানান, ভয়ের কিছু নেই সাক্কু অামাদের দোহারে থেকে করোনায় অাক্রান্ত হয়নী। সে নারায়ণগঞ্জ থেকে অাক্রান্ত হয়ে দোহারে প্রবেশ করার অাগেই দোহার থানা পুলিশ তাকে চেকপোস্ট থেকেই সনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে তাকে ঢাকা পাঠিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে দোহার থানা অফিসার ইনচার্য সাজ্জাদ হোসেন জানান, সাক্কু দোহার থেকে করোনা অাক্রন্ত না। সে নারায়ণগঞ্জ থেকে অাক্রান্ত হয়ে দোহারে প্রবেশ করতেছিল। শাইনপুকুর তিন দোকান এলাকায় অামরা তাকে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্যাক্ত করি। পরে সাথে সাথে দোহার ঢুকার অাগেই অামাদের অফিসার জাহাঙ্হীর হোসেন পকেট থেকে দুই হাজার টাকা দিয়ে ঐ সিএনজিতে করে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে পাঠিয়ে দিতে সক্ষম হই। এবং সাথে সাথে তাকে করোনা টেষ্ট করানোর জন্য বলা হয়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করি এবং তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এখন সে ঢাকা মেডিকেল কলেজে করোনা চিকিৎসা নিচ্ছে।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অাফরোজা অাক্তার রিবার পক্ষে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, অাসলে সাক্কু দোহারের সন্তান হলেও বসবাস ছিল নারায়ণগঞ্জ। সেখান থেকে সে করোনায় অাক্রান্ত হয়। এটা দোহারের কোন রোগী না। পরে তাকে থানা পুলিশের সহযোগিতায় চেকপোস্ট বসিয়ে সনাক্ত করে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সবাই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন , বাড়িতে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। পরিবারকে নিরাপদ রাখুন।