দোহারে বঙ্গবন্ধু’র শাহাদাৎ বার্ষিকী ও শোক পালন

46

খবর ৩২ ঃ ঢাকার দোহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। দোহার উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। ও একটি শোক র‍্যালি বের করে জয়পাড়া প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্ত্বরে ফিরে আসে।

দোহার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এবং ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ঢাকা-১ আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ঢাকা-১ আসনের সাংসদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা ও অবিচ্ছেদ্য অংশ বাঙালির পরাধীনতার শেকল ভাঙ্গার স্বপ্ন বুননে ও মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবার পথ তৈরিতে মহানায়কের ভূমিকায় কাজ করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলা, বাঙালি ও স্বাধীনতার বরপুত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে কখনও বাঙালি হওয়া হওয়া যায় না।

১৫ আগস্ট শনিবার সকাল ১০ টায় দোহার উপজেলা সভাকক্ষে আলোচনার বক্তবে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট বাঙ্গালি জাতির জীবনে ঘটে এক নির্মম, নিষ্ঠুর পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড। সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্চভিলাষী সেনা সদস্যরা, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির মদদে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে ধানমন্ডি ৩২ নং সড়কের নিজ বাস ভবনে নৃশংস ভাবে হত্যা করে। এমনকি ঘাতকের নিষ্ঠুর বুলেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশু রাসেলও। এই হত্যাকাণ্ড ছিল একটি নৃশংস ও মানবতাবিরোধী।

এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন- দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব আলী মোল্লা, দোহার পৌরসভা, উপজেলা যুবলীগ, সে¦চ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, দোহার থানা পুলিশ, অফিসার ও ইউ,পি চেয়ারম্যানগণ।

পরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপন করা হয়। এ ছাড়াও উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়।