দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

117

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ফারজানা আক্তারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ কারিরা জানান, ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে অতিরিক্ত অর্থ নেন সচিব ফারজানা আক্তার । তার এ বাণিজ্যের ঘটনায় মাহমুদপুর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তারা অভিযোগে জানান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরকুসুমহাটী গ্রামের মোক্তার খাঁন, রহুল আমীন ও কবিরে মেয়ের জন্য পরিষদে জন্ম নিবন্ধন সনদ আনতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ফারজানা আক্তার তাদের কাছ থেকে ১৫শ’ টাকা নেন। যাদের নামে জন্মসনদ নেওয়া হয় তারা হলেন. আফরোজা ( ৭) মাস, আফরিন( ৮) মাস ও সুরাইয়া। এ বিষয়ে ইউপি সচিব ফারজানা’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশি টাকা কখনোই নেওয়া হয় নাই।

এছাড়া হরিচন্ডী, নারায়ণপুর, চরবৈতা,চরকুশাইচর,দেওভোগ এলাকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন যে, মাহমুদপু ইউনিয়ন পরিষদে ৫০০-১০০০ টাকা দিয়েই জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে হয়। কম দিলে সনদ পাওয়া যায় না। এছাড়া ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, নাগরিক সনদ, চারিত্রিক সনদ, আনতে পরিষদে গেলে আমাদের অনেক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, জন্মনিবন্ধন. ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, নাগরিক সনদ, চারিত্রিক সনদ,ট্রেড লাইসেন্সসহ অনান্য সেবাগুলো ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের কর্মকর্তা ও সচিব ফারজানা আক্তার দেখেন। বেশি টাকা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, জন্ম নিবন্ধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ নিলে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ব্যবস্থা নিবে।