রাসেল হত্যার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ মিছিল-মানববন্ধন;৩৩ জন এজাহারভুক্ত ১৫/২০ অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা

1043

খবর ৩২ : ঢাকার দোহারে দুই শিক্ষার্থীর দ্বন্দে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় রাসেল (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ১৫ জুন সোমবারের ঘটনায় নিহতের ভাই সুমন বাদী হয়ে রাতেই দোহার থানায় ৩৩ জনকে এজাহারভুক্ত ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। হত্যা কান্ডের ঘটনায় ১৬ জুন মঙ্গলবার বিচার চেয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও স্বজনরা।

নিহত শেখ রাসেল(৩৫) দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া গ্রামের সাবেক মেম্বার আব্দুর রশিদের ছেলে।

স্থানীয়দের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, রহমত উল্লাহ, মিঠু সহ কয়েকজনে বলেন সবাই’ই খোব ভাল ছেলে। তারপর ও কি ভাবে কি হয়ে গেল বুজতে পারছি না। ১৪ জুন রবিবার মনির হোসেন মইতপাড়া কালভার্ট এলাকায় হোন্ডায় বসা থাকা অবস্থায় সোহানকে চর থাপ্পর দেয়। সোমবার মনির ও সোহানকে এলাকার বড় ভাই (মিঠুর) মিমাংসা করার কথা থাকলেও। হটাৎ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মইতপাড়া খালপাড় এলাকার মোবারক খলিফার ছেলে মনির হোসেনের সাথে একই এলাকার সাদেক ভুইয়ার ছেলে সোয়ান ও তার বন্ধুদের সাথে ঝগড়া বেধে যায়। পরে সোয়ানের পক্ষে আসা তার সহপাঠিরা মনিরের উপর হামলা চালায়। তখন প্রতিবেশী রাসেল ঝগরা থামাতে গেলে আহত হয় । এ সময়ে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

১৬ জুন মঙ্গলবার সন্ধায় ময়নাতদন্ত শেষে রাসেলের মরদেহ মইতপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.সাজ্জাদ হোসেন জানান, হত্যার ঘটনায় ৩৩ জনকে এজাহারনামীয় ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।