খরচ আমি দেবো; করোনাভাইরাসের কোটি কোটি ভ্যাকসিন ডোজ তৈরি করা হোক; বিল গেটস

132

খবর ৩২ : করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে ৬৭ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যুবরণ করেছে ৩ লাখ ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ। গোটা বিশ্ব এই মহামারির সাথে লড়াই করছে। তবে এই লড়াই বড্ড একতরফ বলে জানান অনেক স্বাস্থ্য ও সচেতন শুশিল বিশেষজ্ঞরা। দিন দিন ভাইরাসটির কাছে মানুষ কেমন জানি খুবই অসহায় হয়ে পরছে। 

প্রতিষেধকের অভাবে করোনায় অাক্রান্ত হয়ে মানুষকে মরতে দিতে চান না মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা মার্কিন ধনকুবের বিল গেটস।- কলকাতাট্রিবিউন এমন তথ্যই প্রচার করছে।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির পর তা সারা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌচ্ছে দিতে চান তিনি। এই মর্মে বিশ্বের সবকটি দেশের গবেশণা সংস্থাগুলোকে কোটি কোটি প্রতিষেধকের ডোজ তৈরির আর্জি জানিয়েছেন এই ধনকুব। ভ্যাকসিন তৈরির জন্য খরচ দিতে চায় তারঁ ফাউন্ডেশন।

বিল গেটস বলেন, ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের সফল টিকা পাওয়া গেলে তা বিশ্বে সব মানুষের কাছে পৌছেঁ দেওয়া হবে। উল্লেখ্য,  বিল গেটসের সংস্থা মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে ইতি মধ্যেই বিভিন্ন সংস্থাকে আর্থিক সহায্য সহযোগিতা করেছেন।

পেনসালিভানিয়ার বায়োটেক ফার্ম ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালসের করোনা ভ্যাকসিনগবেষণার কাজে সব অার্থিক অনুদান দিয়েছেন বিল গেটস ও তার সংস্থ্য  মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের সংঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিনের ডোজ পৌচ্ছে দেওয়ার জন্য অাগাম পরিকল্পনাও করে রেখেছেন বিল গেটস। বিশ্বের কোন দেশ ভ্যাকসিনের গবেষণায় কতদূর এগোল তা জানতেও প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন তিনি।

বিল গেটস আরো বলেন, এশিয়া, ইউরোপ, অামেরিকার বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে তারঁ ফাউন্ডেশন। বছরে ১০০ কোটি বা ২০০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করা গেলে করোনা অাক্রন্ত দেশগুলিতে দ্রত সেই ডোজ পৌছে দেওয়া হবে। অার্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলির জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের প্রোগ্রামের মাধ্যামে ভ্যাকসিনের ডোজ  পৌঁছে দেওয়া হবে বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলোতে এমনটা জানিয়েছেন বিল গেটস ও তার সংস্থ্য  মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।