১৫ কোটির চিকিৎসা সামগ্রী দিলো সালমান এফ রহমান এর বেক্সিমকো

75
করোনা ভাইরাসের হাহাকার কাটাতে দোহার-নবাবগঞ্জ অসহায়দের পাশেঃ সালমান এফ রহমান
করোনা ভাইরাসের হাহাকার কাটাতে দোহার-নবাবগঞ্জ অসহায়দের পাশেঃ সালমান এফ রহমান

খবর৩২ঃ বেক্সিমকো মানে সালমান এফ রহমান, সালমান এফ রহমান মানে বেক্সিমকো গ্রুপ । ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জর সাংসদ। তিনি কিছু দিন পূর্বে ঘোষনা দিয়েছেন নবাবগঞ্জর ১৪ টি ইউনিয়ন, দোহারের ৮ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় হত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে চাল, ডাল, ওষধ বিতরণ করবেন। বর্তমান সাংসদের দেওয়া দোহার নবাবগঞ্জ প্রশাসনদের সহযোগিতায় মাক্স বিতরণ চলছে।

দোহার নবাবগঞ্জর সাংসদ আরো একটি সুসংবাদ দিলেন সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য। বর্তমানে করোনাভাইরাস ( কোভিড-১৯ )আতংক সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও বিরাজ করতে পারে। সে দিকে বিবেচনা করে দোহার নবাবগঞ্জর এমপি, মাননীয় প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান বেক্সিমকো গ্রুপ থেকে ১৫ কোটি টাকার পিপিআই, ওষধ সহায়তা করবেন।

বিষয়টি দোহার – নবাবগঞ্জ সহ বাংলাদেশের মানুষের কাছে মাইল ফলক দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন দোহার নবাবগঞ্জবাসী। দোহার নবাবগঞ্জর এমপি সালমান এফ রহমান ফ্যান ক্লাব থেকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সাহায্যের ব্যাপারে কিছু তথ্য প্রচার করছেন। পাঠদের সুবিধার জন্য আমরা হুবুহুব তুলে ধরলাম।

বাংলাদেশে কভিডে আক্রান্ত রোগীদের সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় পিপিই, ওষুধ ও টেস্ট কিট সরবরাহের করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মা। এ জন্য বেক্সিমকো গ্রুপ তাদেরকে ১৫ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মা ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের মধ্যে এসব উপকরণ বিতরণ করছে বলে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ও কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরকার নির্ধারিত হাসপাতালগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে প্রথম ধাপের উপকরণ হস্তান্তর করেন। এই উদ্যোগে সহায়তা দিতে বেক্সিমকো গ্রুপ ১৫ কোটি টাকা বা ১.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করেছে।

অনুষ্ঠানে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এম,পি বলেন, যেকোনও জাতীয় দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে বেক্সিমকো গ্রুপ সবসময়ই বদ্ধপরিকর। কোভিড-১৯ বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই আক্রান্ত হচ্ছে, তখন এই মহামারির প্রভাব মোকাবিলায় এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছি।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা সম্পর্কে জানে এবং যেকোনও ক্রান্তিকালে তারা সবসময় পাশেই ছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের এই প্রয়োজনের সময় সাড়া দিতে পেরে আমরা গর্বিত। দায়িত্বশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে আন্তরিকভাবে সহায়তা প্রদান করা অব্যাহত রাখবো।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো, আইসিডিডিআরবি’র সংক্রমণশীল রোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক অধ্যাপক অ্যালেন রস, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ডা. বর্দন জং রানা, সিডিসি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মাইকেল ফ্রিডম্যান, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির উপস্থিত ছিলেন।